ডিএনএস পয়জনিং ও ডিডস আক্রমণ নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান

১২ ডিসেম্বর, ২০২৩ ২০:২৬  

সরকারি নির্দেশনায় নয়; ডিএনএস পয়জনিং ও ডিডস আক্রমণের মাধ্যমেও নেটওয়ার্ক ব্যস্ত রেখে দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার নিরবিচ্ছিন্নত বিঘ্নিত করা হচ্ছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের এডিসি মোঃ নাজমুল ইসলাম। এজন্য নেটওয়ার্ক প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও দেশের ১২ কোটি নেটিজেনদের সাইবার সুরক্ষায় বর্তমানে ৫০০ জন সাইবার কপ কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, সাইবার সুরক্ষার নতুন আইনে কিছু অপরাধ ‘অ-জামিন যোগ্য’ করায় পুলিশের কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই বিষয়টি পূণর্বিবেচনা করা উচিত।    

মঙ্গলবার ১৭তম বিডিনগ সম্মেলনের প্রথম দিনের প্লানারি সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে এই দাবি তুলেন তিনি।

উপস্থাপনার শুরুতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো’র কপগুলো এই নেটওয়ার্কে অন্তর্ভূক্ত করার আহ্বান জানান নাজমুল ইসলাম। তিনি বলেন, সাইবার অপরাধীদের পাকড়াও করতে

সাইবার কপ হিসেবে আমরা প্রাচ্যের জীবনধারাকে আমলে নিয়ে ব্যাড অ্যাক্টরসের বিরুদ্ধে কাজ করি।

সদ্য এসপি পদমর্যাদা প্রাপ্ত বাংলাদেশে সাইবার কপ-দের ম্যাসি হিসেবে পরিচিত এই সাইবার যোদ্ধা আরো বলেন, দেশে প্রতি ১২ সেকেন্ডে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়। দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭ কোটি। এখানে বিস্ময়কর ভাবে সবচেয়ে বেশি অপরাধ হয়। তাই পৃথিবীর একমাত্র দেশ হিসেবে শুধু বাংলাদেশেই পুলিশ ফেসবুকের সমস্যা নিয়ে কাজ করে। ফেসবুক, গুগল ক্যাশ সার্ভার স্থাপন করে। আমাদের দেশে ব্যবসা হচ্ছে বলে তারা আকামাই স্থাপন করেছে। যেখানে উন্নয়ন ঘটবে সেখানে বিচ্যুতি হয়। তাই এখানে সবাইকে নিয়ে কাজ করতে হবে।

এসময় এক প্রশ্নের জবাবে নাজমুল বলেন, অপরাধ বা অপরাধী ধরতে ‘আলামত সংগ্রহ’ করতে গিয়ে ব্যবসায় ক্ষতি হবে বিবেচনায় ‘রাউটার’ কিংবা ‘সার্ভার’ ইত্যাদি খুলে না নিয়ে পুলিশ তা কপি করে নিয়ে যাবে। তাই অভিযোগ করার ব্যাপারে কেউ যেন পিছিয়ে না থাকেন।   

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুর রহিম খান।

বিডিনগ সাধারণ সম্পাদক বরকতুল আলম বিপ্লবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তেব্যে আইএসপিএবি সভাপতি মোঃ ইমদাদুল হক বলেন, আগামী দুই -তিন মাসের মধ্যে ঢাকার বাইরে আরো তিনটি পপ স্থাপন করবে আইএসপিএবি।

আইএসপিএবি সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেন, আমরা যোগ্য লোক পাচ্ছি না। যারা ভালো করছেন তারা ট্রেইনার হয়ে যাচ্ছেন। এখন আমরা পৃথিবীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছি। এ জন্য ট্রেনিং এর কোনো বিকল্প নেই।

বিডিনগ ট্রাস্টি মোঃ কাওছার উদ্দিন বলেন, আমরা ২০১৪ সালে বিডিনগ শুরু করি। প্রতি বছর দুই বার করে নগ হয়। একে ট্রেনিং নিয়ে এখন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার পাশাপাশি বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।